Recently Lyrics Updated

গানঃ আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে
শিল্পীঃ ওস্তাদ নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী
কথাঃ কাওসার আহমেদ চৌধুরী
সুরঃ লাকী আকন্দ

আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে
মনে পড়লো তোমায়
অশ্রু ভরা দুটি চোখ
তুমি ব্যথার কাজল মেখে
লুকিয়েছিলে ঐ মুখ। 

আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে
মনে পড়লো তোমায়
অশ্রু ভরা দুটি চোখ
তুমি ব্যথার কাজল মেখে
লুকিয়েছিলে ঐ মুখ। 

বেদনাকে সাথী করে
পাখা মেলে দিয়েছো তুমি
কত দূরে যাবে বলো
কত দূরে যাবে বলো
তোমার পথের সাথী হবো আমি। 

বেদনাকে সাথী করে
পাখা মেলে দিয়েছো তুমি
কত দূরে যাবে বলো
কত দূরে যাবে বলো
তোমার পথের সাথী হবো আমি।

আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে
মনে পড়লো তোমায়। 

একাকিনী আছো বসে
পথ ভুলে গিয়েছো তুমি
কোন দূরে যাবে বলো
কোন দূরে যাবে বলো
তোমার চলার সাথী হবো আমি। 

একাকিনী আছো বসে
পথ ভুলে গিয়েছো তুমি
কোন দূরে যাবে বলো
কোন দূরে যাবে বলো
তোমার চলার সাথী হবো আমি।

আজ এই বৃষ্টির কান্না দেখে
মনে পড়লো তোমায়
অশ্রু ভরা দুটি চোখ
তুমি ব্যথার কাজল মেখে
লুকিয়েছিলে ঐ মুখ
গানঃ আমার সোনার বাংলা 
কথাঃ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
সুরঃ গগন হরকরা

আমার সোনার বাংলা, আমি তোমায় ভালোবাসি।
চিরদিন তোমার আকাশ, তোমার বাতাস, আমার প্রাণে বাজায় বাঁশি॥
ও মা, ফাগুনে তোর আমের বনে ঘ্রাণে পাগল করে,
মরি হায়, হায় রে—
ও মা, অঘ্রানে তোর ভরা ক্ষেতে আমি কী দেখেছি মধুর হাসি॥

কী শোভা, কী ছায়া গো, কী স্নেহ, কী মায়া গো—
কী আঁচল বিছায়েছ বটের মূলে, নদীর কূলে কূলে।
মা, তোর মুখের বাণী আমার কানে লাগে সুধার মতো,
মরি হায়, হায় রে—
মা, তোর বদনখানি মলিন হলে, ও মা, আমি নয়নজলে ভাসি॥

তোমার এই খেলাঘরে শিশুকাল কাটিলে রে,
তোমারি ধুলামাটি অঙ্গে মাখি ধন্য জীবন মানি।
তুই দিন ফুরালে সন্ধ্যাকালে কী দীপ জ্বালিস ঘরে,
মরি হায়, হায় রে—
তখন খেলাধুলা সকল ফেলে, ও মা, তোমার কোলে ছুটে আসি॥

ধেনু-চরা তোমার মাঠে, পারে যাবার খেয়াঘাটে,
সারা দিন পাখি-ডাকা ছায়ায়-ঢাকা তোমার পল্লীবাটে,
তোমার ধানে-ভরা আঙিনাতে জীবনের দিন কাটে,
মরি হায়, হায় রে—
ও মা, আমার যে ভাই তারা সবাই, ও মা, তোমার রাখাল তোমার চাষি॥

ও মা, তোর চরণেতে দিলেম এই মাথা পেতে—
দে গো তোর পায়ের ধুলা, সে যে আমার মাথার মানিক হবে।
ও মা, গরিবের ধন যা আছে তাই দিব চরণতলে,
মরি হায়, হায় রে—
আমি পরের ঘরে কিনব না আর, মা, তোর ভূষণ ব'লে গলার ফাঁসি

 শিরোনামঃ আবার হাসিমুখ

ব্যান্ডঃ শিরোনামহীন

কথা ও সুরঃ জিয়াউর রহমান

সেই কবে ছিল উচ্ছ্বাস, কিছু শঙ্কায় ভরা চুম্বন

ছিল প্রেমিকার ঘন নিশ্বাস, হাসিমুখে ফোয়ারা।

এই অবেলায় ফোঁটা কাশফুল, নিয়তির মত নির্ভুল

যেন আহত কোন যোদ্ধার বুকে বেঁচে থাকা এক মেঘফুল

যদি ঘরে ফেরা পাখি নিশ্চুপ, হৃদয়ে ঢেউ ভাঙ্গে ছুপছুপ,

তবু জাহাজীর নাগরিক ঢেউ, অপরাধ মেনে নিয়ে কেউ কেউ,

যদি শোঁকগাথা হাতে বহুদূর যাও একদিন ঠিকই এনে দেব হাসিমুখ।।

রোদ্দুর, একসাথে হেঁটে হেঁটে যেতে চাই বহুদূর

বুকের ভেতর ডানা ঝাপ্ টায় পাখি, বেপরোয়া ভাংচুর।

তুমি চেয়ে আছ তাই আমি পথে হেঁটে যাই,

তুমি চেয়ে আছ তাই আমি পথে হেঁটে যাই।


বুকের পাঁজরে ওড়ে প্রজাপতি, স্বপ্নের দিগন্ত রঙিন।

ইচ্ছে হলেই এনে দিতে পারে বেপরোয়া রোদ্দুর ঝলমল দিন।

প্রেমিকার মুখ রক্তিম ছিল রোদ উঠে গেছে তাই

তো্মাদের নগরীতে আমি আজও হেঁটে বেড়াই।।

রোদ্দুর, চলো একসাথে হেঁটে যেতে চাই বহুদূর

বুকের ভেতর ডানা ঝাপ্ টায় পাখি, বেপরোয়া ভাংচুর।


বৃষ্টি ভেজা সুখ-দুখ, খোলা জানালায় হাসিমুখ

উড়ছে কিছু প্রজাপতি মেঘ মনের জানালায়।

জানালায় ছিল রোদ্দুর, মেঘ ভেসে গেল বহূদুর

নগরের প্রিয় চিরকুট সব জীবন ছেড়ে পালায়।

তুমি চেয়ে আছ তাই আমি পথে হেঁটে যাই,

হেটে হেটে বহুদূর, বহুদূর যেতে চাই

তুমি চেয়ে আছ তাই আমি পথে হেঁটে যাই,

হেটে হেটে বহুদূর, বহুদূর, বহুদূর..

প্রতিটি রাস্তায়, প্রতিটি জানালায়

তোমাদের যারা হাসিমুখে বহুদূর যেতে চায়;

তুমি চেয়ে আছ তাই আমি পথে হেঁটে যাই,

হেটে হেটে বহুদূর, বহুদূর যেতে চাই

তুমি চেয়ে আছ তাই, আমি পথে হেটে যাই,

হেটে হেটে বহুদূর, বহুদূর ...

গানঃ আজ রাতে কোনো রূপকথা নেই

কণ্ঠঃ Mobaswer Chowdhuri

ব্যান্ডঃ Old School

কথাঃ  Ahosanus Sakib


চাঁদমামা আজ বড্ড একা

বড় হয়েছি আমি

রোজ রাতে আর হয়না কথা

হয়না নেওয়া হামি (x2)


রোজ রাতে আর চাঁদের বুড়ি,

কাটেনা চরকা রোজ

ও বুড়ি, তুই আছিস কেমন

হয়না নেওয়া খোঁজ।


কোথায় গেলো সে রুপকথার রাত,

হাজার গল্প শোনা

রাজার কুমার, কোটাল কুমার, পঙ্খীরাজ,

সে ঘোড়া। (x2)


কেড়ে নিলো কে সে আজোব সময়

আমার কাজলা দিদি

কে রে তুই, কোন দৈত্যদানো

সব যে কেড়ে নিলি..


কেরে তুই, কেরে তুই

সব সহজ শৈশবকে বদলে দিলি

কিছু যান্ত্রিক বর্জ্যে।

তুই কে রে, তুই

যত বিষাক্ত প্রলোভনে আমায় ঠেলে দিলি

কোনো এক ভুল স্রোতে। (x2)


আলাদিন আর জাদুর জীনি,

আমায় ডাকছে শোনো

ব্যস্ত আমি ভীষণ রকম,

সময় তো নেই কোনো। (x2)


আলীবাবার দরজা খোলা,

চল্লিশ চোর এলে

সিনদাবাদটা, একলা বসে

আছে সাগর তীরে।


সময়টা আজ কেমন যেন,

বড় হয়ে গেছি আমি

তারাগুলো আজও মেঘের আড়াল,

কোথায় গিয়ে নামি। (x2)


কেড়ে নিলো কে সে আজব সময়

আমার কাজলা দিদি

কে রে তুই, কোন দৈত্যদানো

সব যে কেড়ে নিলি..


কেরে তুই, কেরে তুই

সব সহজ শৈশবকে বদলে দিলি

কিছু যান্ত্রিক বর্জ্যে।

তুই কে রে, তুই

যত বিষাক্ত প্রলোভনে আমায় ঠেলে দিলি

কোনো এক ভুল স্রোতে। (x2)

গানঃ আমি কেমন করে পত্র লিখি রে বন্ধু

কণ্ঠঃ মুজিব পরদেশী

কথাঃ মনমোহন দত্ত

আমি কেমন করে পত্র লেখি রে, বন্ধু

আমার গ্রাম, পোস্ট অফিস নাই জানা

তোমায় আমি হলেম অচেনা

তোমায় আমি হলেম অচেনা

আমি কেমন করে পত্র লেখি রে, বন্ধু

গ্রাম, পোস্ট অফিস নাই জানা

তোমায় আমি হলেম অচেনা

তোমায় আমি হলেম অচেনা

হইতা যদি দেশের দেশি

শ্রীচরণের হইতাম দাসী রে

হইতা যদি দাসের দেশি

শ্রীচরণের হইতাম দাসী গো

আমি দাসী হইয়া সঙ্গে যাইতাম, বন্ধু

মানতাম না কারও মানা

তোমায় আমি হলেম অচেনা

তোমায় আমি হলেম অচেনা

আমার শুইলে না আসে নিদ্রা

ক্ষণে ক্ষণে জাগে তন্দ্রা গো

শুইলে না আসে নিদ্রা

ক্ষণে ক্ষণে জাগে তন্দ্রা গো

আমি স্বপন দেখে উঠি জেগে রে, বন্ধু

কেঁদে ভিজাই বিছানা

তোমায় আমি হলেম অচেনা

তোমায় আমি হলেম অচেনা

কবি মনমোহনের মনের ব্যথা

বলা যায় না যথাতথা গো

সাধক মনমোহনের মনের ব্যথা

বলা যায় না যথাতথা রে

আমি কার কাছে বলিবো ব্যথা রে

বন্ধু, কেউ নাই আমার আপনা

তোমায় আমি হলেম অচেনা

তোমায় আমি হলেম অচেনা

আমি কেমন করে পত্র লেখি রে, বন্ধু

গ্রাম, পোস্ট অফিস নাই জানা

তোমায় আমি হলেম অচেনা

তোমায় আমি হলেম অচেনা

তোমায় আমি হলেম অচেনা

তোমায় আমি হলেম অচেনা

আমার ভিনদেশী তারা 
একা রাতেরি আকাশে
তুমি বাজালে একতারা 
আমার চিলেকোঠার পাশে
ঠিক সন্ধ্যে নামার মুখে 
তোমার নাম ধরম কেউ ডাকে!
মুখ লুকিয়ে কার বুকে
তোমার গল্প বল কাকে? 

আমার রাত জাগা তারা
তোমার অন্য পাড়ায় বাড়ি
আমার ভয় পাওয়া চেহারা
আমি আদতে আনাড়ি।

আমার আকাশ দেখা ঘুড়ি
কিছু মিথ্যে বাহাদুরি
আমার আকাশ দেখা ঘুড়ি
কিছু মিথ্যে বাহাদুরি

আমার চোখ বেঁধে দাও আলো 
দাও শান্ত শীতলপাটি
তুমি মায়ের মতই ভালো
আমি একলাটি পথ হাঁটি। 

আমার বিচ্ছিরী এক তারা
তুমি নাওনা কথা কানে
তোমার কিসের এতো তাড়া 
রাস্তা পার হবে সাবধানে। 

তোমার গায় লাগেনা ধুলো
আমার দু'মুঠো চালচুলো
তোমার গায় লাগেনা ধুলো
আমার দু'মুঠো চালচুলো।

রাখো শরীরে হাত যদি
আর জল মাখ দুই হাতে 
প্লিস ঘুম হয়ে যাও চোখে
আমার মন খারাপের রাতে।

আমার রাত জাগা তারা
তোমার আকাশ ছোঁয়া বাড়ি
আমি পাইনা ছুঁতে তোমায় 
আমার একলা লাগে ভারি।
আমার রাত জাগা তারা
তোমার আকাশ ছোঁয়া বাড়ি
আমি পাইনা ছুঁতে তোমায় 
আমার একলা লাগে ভারি।

আমার রাত জাগা তারা
তোমার আকাশ ছোঁয়া বাড়ি
আমি পাইনা ছুঁতে তোমায় 


আমার একলা লাগে ভারি।
আজ ধানের ক্ষেতে রৌদ্রছায়ায় লুকোচুরি খেলা রে ভাই - 
লুকোচুরি খেলা ।
নীল আকাশে কে ভাসালে সাদা মেঘের ভেলা রে ভাই -
লুকোচুরি খেলা ।।
আজ ভ্রমর ভোলে মধু খেতে উড়ে বেড়ায় আলোয়-মেতে,
আজ কিসের তরে নদীর চরে চখা-চখীর মেলা ।
নীল আকাশে কে ভাসালে সাদা মেঘের ভেলা রে ভাই -
লুকোচুরি খেলা ।।
ও রে যাব না আজ ঘরে রে ভাই, যাব না আজ ঘরে ।
ওরে, আকাশ ভেঙে বাহিরকে আজ নেবরে লুট ক'রে-
যাব না আর ঘরে ।
যেন জোয়ার-জলে ফেনার রাশি বাতাসে আজ ছুটছে হাসি,
আজ বিনা কাজে বাজিয়ে বাঁশি কাটবে সকল বেলা ।
নীল আকাশে কে ভাসালে সাদা মেঘের ভেলা রে ভাই -


লুকোচুরি খেলা ।।
আজি ঝরো ঝরো মুখর বাদল দিনে
জানি নে, জানি নে
কিছুতেই কেন যে মন লাগে না ।।

এই চঞ্চল সজল পবন-বেগে
উদ্ভ্রান্ত মেঘে... 
মন চায়... মন চায়...
ঐ বলাকার পথখানি নিতে চিনে ।।

মেঘমল্লারে সারা দিনমান
বাজে ঝরনার গান ।

মন হারাবার আজি বেলা
পথ ভুলিবার খেলা
মন চায় …মন চায় …
হৃদয় জড়াতে কারো চির -ঋণে

আজি ঝর ঝর মুখর বাদল দিনে . . .

জানি নে জানি নে … 


কিছুতে কেন যে মন লাগে না। 
আমার একলা আকাশ 

আমার একলা আকাশ 
থমকে গেছে রাতের স্রোতে ভেসে, 
শুধু তোমায় ভালবেসে। 
আমার দিনগুলো সব 
রঙ চিনেছে তোমার কাছে এসে, 
শুধু তোমায় ভালবেসে। 
তুমি চোখ মেললেই 
ফুল ফুটেছে আমার ছাদে এসে, 
ভোরের শিশির ঠোট ছুঁয়ে যায় 
তোমার ভালবেসে। 
আমার একলা আকাশ 
থমকে গেছে রাতের স্রোতে ভেসে, 
শুধু তোমায় ভালবেসে। 

আমার ক্লান্ত মন 
ঘর খুঁজেছে যখন, 
আমি চাইতাম পেতে চাইতাম 
শুধু তোমার টেলিফোন। 
ঘর ভরা দুপুর 
আমার একলা থাকার সুর, 
রোদ গাইতো আমি ভাবতাম 
তুমি কোথায় কতদুর। 
আমার বেসুর গিটার 
সুর বেঁধেছে তোমার কাছে এসে, 
শুধু তোমায় ভালবেসে। 

আমার একলা আকাশ 
রাত চিনেছে তোমার হাসি হেসে, 
শুধু তোমায় ভালবেসে। 

অলস মেঘলা মন
আমার আবছা ঘরের ঘরের কোণ
চেয়ে রইতো ছুটে চাইতো 
তুমি আসবে আর কখন। 
শ্রান্ত ঘুঘুর ডাক 
ধুলো মাখা বইয়ের তাক, 
যেন বলছে যেন বলছে 
থাক অপেক্ষাতেই থাক। 

আমার একলা আকাশ 
থমকে গেছে রাতের স্রোতে ভেসে, 
শুধু তোমায় ভালবেসে। 
আমার দিনগুলো সব 
রঙ চিনেছে তোমার কাছে এসে, 
শুধু তোমায় ভালবেসে। 
আয় খুকু আয়

কাটেনা সময় যখন আর কিছুতে
বন্ধুর টেলিফোনে মন বসেনা, 
জানলার গ্রিলটাতে ঠেকাই মাথা
মনে হয় বাবার মত কেউ বলেনা, 
আয় খুকু আয়…
আয় খুকু আয়…

আয় খুকু আয়…
আয় খুকু আয়…
আয়রে আমার সাথে গান গেয়ে যা। 
নতুন নতুন সুর নে শিখে নে, 
কিছূই যখন ভাল লাগবেনা তোর
পিয়ানোয় বসে তুই বাজাবিরে, 
আয় খুকু আয়… 
আয় খুকু আয়…

সিনেমা যখন চোখে জ্বালা ধরায়
গরম কফির মজা জুড়িয়ে যায়, 
কবিতার বইগুলো ছূঁড়ে ফেলি
মনে হয় বাবা যদি বলতো আমায়, 
আয় খুকু আয়…আয় খুকু আয়…
আয় খুকু আয়…আয় খুকু আয়…

আয় খুকু আয়…
আয় খুকু আয়…
আয়রে আমার সাথে আয় এক্ষুনি
কোথাও ঘুরে আসি শহর ছেড়ে। 
ছেলেবেলার মত বায়না করে
কাজ থেকে নেনা তুই আমায় কেড়ে, 
আয় খুকু আয়…
আয় খুকু আয়…

দোকানে যখন আসি সাজবো বলে
খোঁপাটা বেঁধে নেই ঠান্ডা হাওয়ায়। 
আরশিতে যখন এই চোখ পড়ে যায়
মনে হয় বাবা যেন বলছে আমায়, 
আয় খুকু আয়…
আয় খুকু আয়…

আয় খুকু আয়…
আয় খুকু আয়…
আয়রে আমার কাছে আয় মা-মণি
সবার আগে আমি দেখি তোকে, 
দেখিতো কেমন খোঁপা বেঁধেছিস তুই
কেমন কাজল দিলি কালো চোখে, 
আয় খুকু আয়…
আয় খুকু আয়…

ছেলেবেলার দিন ফেলে এসে
সবাই আমার মত বড় হয়ে যায়, 
জানিনা কজনে আমার মতন
মিষ্টি সে পিছুডাক শুনতে যে পায়, 
আয় খুকু আয়…
আয় খুকু আয়…

আয় খুকু আয়…
আয় খুকু আয়…
আয়রে আমার পাশে আয় মা-মণি
এহাতটা ভাল করে ধর এখনি। 
হারানো সেদিনে চল চলে যাই
ছোট্টবেলা তোর ফিরিয়ে আনি, 
আয় খুকু আয়…
আয় খুকু আয়…
আয় খুকু আয়…
আয় খুকু আয়…
আয় খুকু আয়…
আয় খুকু আয়…
আবার এলো যে সন্ধ্যা

আবার এলো যে সন্ধ্যা, শুধু দু’জনে
আবার এলো যে সন্ধ্যা, শুধু দু’জনে
চলো না ঘুরে আসি অজানাতে
যেখানে নদী এসে থেমে গেছে।
চলো না ঘুরে আসি অজানাতে
যেখানে নদী এসে থেমে গেছে।

ঝাউবনে হাওয়াগুলো খেলছে
সাঁওতালি মেয়েগুলো চলছে। 
লাল লাল শাড়ীগুলো উড়ছে
তার সাথে মন মোর দুলছে।

ঐ দুর আকাশের প্রান্তে
সাত রঙা মেঘ গুলো উড়ছে, 
ঐ দুর আকাশের প্রান্তে
সাত রঙা মেঘ গুলো উড়ছে।
চলো না ঘুরে আসি অজানাতে
যেখানে নদী এসে থেমে গেছে।

এই বুঝি বয়ে গেল সন্ধ্যা
ভেবে যায় কি জানি কি মনটা, 
পাখিগুলো নীড়ে ফিরে চলছে
গানে গানে কি যে কথা বলছে। 

ভাবি শুধু এখানেই থাকবো
ফিরে যেতে মন নাহি চাইছে, 
ভাবি শুধু এখানেই থাকবো
ফিরে যেতে মন নাহি চাইছে। 
চলো না ঘুরে আসি অজানাতে
যেখানে নদী এসে থেমে গেছে।

আবার এলো যে সন্ধ্যা, শুধু দু’জনে
আবার এলো যে সন্ধ্যা, শুধু দু’জনে। 
আজ জন্মদিন তোমার

আজকের আকাশে অনেক তারা, 
দিন ছিল সূর্যে ভরা,
আজকের জোছনাটা আরো সুন্দর, 
সন্ধ্যাটা আগুন লাগা। 
আজকের পৃথিবী তোমার জন্য 
ভরে থাকা ভালো লাগা, 
মুখরিত হবে দিন গানে গানে 
আগামীর সম্ভাবনা। 

তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছ 
শুভেচ্ছা তোমায়, 
তাই অনাগত ক্ষণ হোক আরো সুন্দর
উচ্ছল দিন কামনায়। 

আজ জন্মদিন তোমার। 

তোমার জন্য এই রোদেলা স্বপ্ন সকাল
তোমার জন্য হাসে অনরল স্নিগ্ধ বিকেল
ভালবাসা নিয়ে নিজে তুমি, 
ভালোবাসো সব সৃষ্টিকে। 
ভালবাসা নিয়ে নিজে তুমি, 
ভালোবাসো সব সৃষ্টিকে। 


তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছ 
শুভেচ্ছা তোমায়, 
তাই অনাগত ক্ষণ হোক আরো সুন্দর
উচ্ছল দিন কামনায়। 

আজ জন্মদিন তোমার। 

তোমার জন্য ফোঁটা পৃথিবীর সব গোলাপ, 
তোমার জন্য এই কবিতা নয় সে প্রলাপ। 
আলোকিত হয়ে নিজে তুমি, 
আলোকিত কর পৃথিবীকে। 
আলোকিত হয়ে নিজে তুমি, 
আলোকিত কর পৃথিবীকে। 

তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছ 
শুভেচ্ছা তোমায়, 
তাই অনাগত ক্ষণ হোক আরো সুন্দর
উচ্ছল দিন কামনায়। 

আজ জন্মদিন তোমার। 

আজকের আকাশে অনেক তারা, 
দিন ছিল সূর্যে ভরা,
আজকের জোছনাটা আরো সুন্দর, 
সন্ধ্যাটা আগুন লাগা। 
আজকের পৃথিবী তোমার জন্য 
ভরে থাকা ভালো লাগা, 
মুখরিত হবে দিন গানে গানে 
আগামীর সম্ভাবনা। 

তুমি এই দিনে পৃথিবীতে এসেছ 
শুভেচ্ছা তোমায়, 
তাই অনাগত ক্ষণ হোক আরো সুন্দর
উচ্ছল দিন কামনায়। 

আজ জন্মদিন তোমার। 

আমার সারা দেহ

আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি
ও ও  ও ও ... 
এই চোখ দুটো মাটি খেয়ো না
আমি মরে গেলেও তারে দেখার সাধ
মিটবে না গো মিটবে না। 
তারে এক জনমে ভালোবেসে
ভরবে না মন ভরবে না। 

আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি
ও ও  ও ও ... 

ওরে… ইচ্ছে করে বুকের ভিতর
লুকিয়ে রাখি তারে। 

ওরে… ইচ্ছে করে বুকের ভিতর
লুকিয়ে রাখি তারে। 
যেন না পারে সে যেতে
আমায় কোনদিনও ছেড়ে। 
আমি এই জগতে তারে ছাড়া
থাকবো নারে থাকবো না। 
তারে এক জনমে ভালোবেসে
ভরবে না মন ভরবে না। 

আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি
ও ও  ও ও ... 

ওরে… এই না ভুবন ছাড়তে হবে
দুইদিন আগে পরে। 

ওরে… এই না ভুবন ছাড়তে হবে
দুইদিন আগে পরে। 
বিধি, একই সঙ্গে রেখো মোদের
একই মাটির ঘরে। 
আমি ঐ না ঘরে থাকতে একা
পারবো না গো পারবো না। 
তারে এক জনমে ভালোবেসে
ভরবে না মন ভরবে না। 

আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি
ও ও  ও ও ... 
এই চোখ দুটো মাটি খেয়ো না
আমি মরে গেলেও তারে দেখার সাধ
মিটবে না গো মিটবে না। 
তারে এক জনমে ভালোবেসে
ভরবে না মন ভরবে না। 

আমার সারা দেহ খেয়ো গো মাটি
ও ও  ও ও ... 


আমি বাংলায় গান গাই

আমি বাংলায় গান গাই, 
আমি বাংলার গান গাই,
আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই। 
আমি বাংলায় গান গাই, 
আমি বাংলার গান গাই,
আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই। 

আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, 
আমি বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর। 

বাংলাই  আমার জীবনানন্দ 
বাংলা প্রাণের সুখ
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ |
বাংলাই  আমার জীবনানন্দ 
বাংলা প্রাণের সুখ
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ |

আহা হাহা আহা হাহা আহা হা হা আহা হা হা 

আমি বাংলায় কথা কই,
আমি বাংলার কথা কই
আমি বাংলায় ভাসি, বাংলায় হাসি, বাংলায় জেগে রই। 
আমি বাংলায় কথা কই,
আমি বাংলার কথা কই
আমি বাংলায় ভাসি, বাংলায় হাসি, বাংলায় জেগে রই। 

আমি বাংলায় মাতি উল্লাসে, 
করি বাংলায় হাহাকার 
আমি সব দেখে শুনে খেপে গিয়ে করি বাংলায় চিৎকার। 

বাংলা আমার দৃপ্ত স্লোগান ক্ষিপ্ত তীর ধনুক,
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ |
বাংলা আমার দৃপ্ত স্লোগান ক্ষিপ্ত তীর ধনুক,
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ |

আহা হাহা আহা হাহা আহা হা হা আহা হা হা 

আমি বাংলায় ভালবাসি, 
আমি বাংলাকে ভালবাসি
আমি তারি হাত ধরে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে আসি। 
আমি বাংলায় ভালবাসি, 
আমি বাংলাকে ভালবাসি
আমি তারি হাত ধরে সারা পৃথিবীর মানুষের কাছে আসি। 

আমি যা’কিছু মহান বরণ করেছি বিনয় শ্রদ্ধায়
মেশে তেরো নদী সাত সাগরের জল 
গঙ্গায় পদ্মায়

বাংলা আমার তৃষ্ণার জল তৃপ্ত শেষ চুমুক
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ |
বাংলা আমার তৃষ্ণার জল তৃপ্ত শেষ চুমুক
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ |

আমি বাংলায় গান গাই, 
আমি বাংলার গান গাই,
আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই। 
আমি বাংলায় গান গাই, 
আমি বাংলার গান গাই,
আমি আমার আমিকে চিরদিন এই বাংলায় খুঁজে পাই। 

আমি বাংলায় দেখি স্বপ্ন, 
আমি বাংলায় বাঁধি সুর
আমি এই বাংলার মায়াভরা পথে হেঁটেছি এতটা দূর। 

বাংলাই  আমার জীবনানন্দ 
বাংলা প্রাণের সুখ
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ |
বাংলাই  আমার জীবনানন্দ 
বাংলা প্রাণের সুখ
আমি একবার দেখি, বারবার দেখি, দেখি বাংলার মুখ |

আহা হাহা আহা হাহা আহা হা হা আহা হা হা 
আমি চিরতরে দূরে চলে যাব

আমি চিরতরে দূরে চলে যাব,
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।
আমি চিরতরে দূরে চলে যাব,
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।
আমি বাতাস হইয়া জড়াইব কেশ,
বেণী যাবে যবে খুলিতে।।
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।

তোমার সুরের নেশায় যখন
ঝিমাবে আকাশ কাঁদিবে পবন,
রোদন হইয়া আসিব তখন তোমার বক্ষে দুলিতে।
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।

আসিবে তোমার পরমোৎসবো
কত প্রিয়জন কে জানে,
মনে প’ড়ে যাবে–
কোন্‌ সে ভিখারী পায়নি ভিক্ষা এখানে।
তোমার কুঞ্জ-পথে যেতে, হায়!
চমকি’ থামিয়া যাবে বেদনায়
দেখিবে, কে যেন ম’রে পরে আছে
দেখিবে, কে যেন ম’রে পরে আছে
তোমার পথের ধূলিতে।
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।

আমি চিরতরে দূরে চলে যাব,
তবু আমারে দেবনা ভুলিতে।

আলো

তুমি আর তো কারো নও শুধু আমার
যত দূরে সরে যাও রবে আমার। 
স্তব্ধ সময়টাকে ধরে রেখে
স্মৃতির পাতায় শুধু তুমি আমার। 
কেন আজ এত একা আমি
আলো হয়ে দূরে তুমি। 

আলো আলো আমি কখনো খুঁজে পাবনা, 
চাঁদের আলো তুমি কখনো আমার হবে না। 
আলো আলো আমি কখনো খুঁজে পাবনা, 
চাঁদের আলো তুমি কখনো আমার হবে না। 
হবে না হবে না, হবে না............

রোমন্থন করি ফেলে আশা 
দৃশ্যপট স্বপ্নে আঁকা। 
লুকিয়ে তুমি কোন সুদুরে
হয়তো ভবিষ্যতের আড়ালে।

ঘাসের চাদরে শুয়ে একা
আকাশের পানে চেয়ে জেগে থাকা। 
তবে আজ এত একা কেন
আলো হয়ে দূরে তুমি। 

আলো আলো আমি কখনো খুঁজে পাবনা, 
চাঁদের আলো তুমি কখনো আমার হবে না। 
আলো আলো আমি কখনো খুঁজে পাবনা, 
চাঁদের আলো তুমি কখনো আমার হবে না। 
হবে না হবে না, হবে না............

কেন আজ এত একা আমি
আলো হয়ে দূরে তুমি। 

আলো আলো আমি কখনো খুঁজে পাবনা, 
চাঁদের আলো তুমি কখনো আমার হবে না। 
আলো আলো আমি কখনো খুঁজে পাবনা, 
চাঁদের আলো তুমি কখনো আমার হবে না। 
হবে না হবে না, হবে না............
আমি শুনেছি সেদিন তুমি

আমি শুনেছি সেদিন তুমি
সাগরের ঢেউয়ে চেপে 
নীল জল দিগন্ত ছুঁয়ে এসেছ। 
আমি শুনেছি সেদিন তুমি 
নোনাবালি তীর ধরে 
বহুদুর বহুদুর হেঁটে এসেছ। 
আমি কখনও যাই নি জলে 
কখনও ভাসিনি নীলে, 
কখনও রাখিনি চোখ, ডানা মেলা গাংচিলে।  
আবার যেদিন তুমি সমুদ্র স্নানে যাবে
আমাকেও সাথে নিও 
নেবে তো আমায়? 
বল নেবে তো আমায়? 

আমি শুনেছি সেদিন নাকি 
তুমি তুমি তুমি মিলে 
তোমরা সদলবলে সভা করেছিলে। 
আর সেদিন তোমরা নাকি অনেক জটিল ধাঁধা
না বলা অনেক কথা, কথা তুলেছিলে? 

কেন শুধু ছুটে ছুটে চলা
একে একে কথা বলা
নিজের জন্য বাঁচা নিজেকে নিয়ে। 
যদি ভালবাসা নাই থাকে
শুধু একা একা লাগে
কোথায় শান্তি পাব কোথায় গিয়ে? 
বল কোথায় গিয়ে? 

আমি শুনেছি 
তোমরা নাকি এখনও স্বপ্ন দেখ, 
এখনও গল্প লেখ গান গাও প্রাণ ভরে। 
মানুষের বাঁচা মরা এখনও ভাবিয়ে তোলে
তোমাদের ভালবাসা এখনও গোলাপে ফোটে । 

আস্থা হারানো এই মন নিয়ে আমি আজ 
তোমাদের কাছে এসে দু হাত পেতেছি। 
আমি দু চোখের গল ভরে শুন্যতা দেখি শুধু 
রাত ঘুমে আমি কোন স্বপ্ন দেখি না 
তাই স্বপ্ন দেখবো বলে আমি দু চোখ পেতেছি, 
তাই তোমাদের কাছে এসে আমি দু হাত পেতেছি, 
তাই স্বপ্ন দেখবো বলে আমি দু চোখ পেতেছি। 
আমি সেই সুতো হবো

আমি সেই সুতো হবো , 
যে তোমায় আলোকিত করে, নিজে জ্বলে যাবো। 
আমি সেই নৌকো হবো , 
যে তোমায় পার করে, নিজেই ডুবে যাবো। 

হবো সেই চোখ 
যে তোমায় দেখেই বুজে যাবো। 
হবো সেই সুর 
যে তোমায় মাতিয়ে করুণ হবো। 

হবো সেই চাঁদ 
যে হয়ে গেলে রাত, 
তোমাকে আলো দেবে। 
দিন ফিরে এলেই আবার ফুরিয়ে যাবো , 
শুধু ভালোবেসো আমায় . . . . .

ঝরিয়ে আমার চোখের বৃষ্টি আনবো রংধনু,
শুধু আপন থেকো,
ভালবেসো…ভালবেসো আমায়……
করে…প্রমান…মোহ তোমায়, 
হয়ে… যাবো আমি অগণ্য…।
এ অপরাধে হলে,
আমি অপরাধী ভেবে নেবো।
এটাই পুণ্য…………

আমি সেই সুতো হবো , 
যে তোমায় আলোকিত করে নিজে জ্বলে যাবো। 
আমি সেই নৌকো হবো , 
যে তোমায় পার করে নিজেই ডুবে যাবো।

হবো সেই চোখ 
যে তোমায় দেখেই বুজে যাবো। 
হবো সেই সুর 
যে তোমায় মাতিয়ে করুণ হবো। 

হবো সেই চাঁদ 
যে হয়ে গেলে আধ , 
তোমাকে আলো দেবো। 
দিন ফিরে এলেই আবার ফুরিয়ে যাবো ,
শুধু ভালোবেসো আমায় . . . . .
ঝরিয়ে আমার চোখের বৃষ্টি আনবো রংধনু,
শুধু আপন থেকো,
ভালবেসো…ভালবেসো আমায়……