Recently Lyrics Updated

গানঃ এ জীবন তোমাকে দিলাম
শিল্পীঃ মিতালী মুখার্জী ও কুমার সানু
কথাঃ মোহাম্মদ রফিকুজ্জামান 
সিনেমাঃ আত্মত্যাগ

এ জীবন তোমাকে দিলাম বন্ধু,
তুমি শুধু ভালবাসা দিও বন্ধু, 
তুমি শুধু ভালবাসা দিও।
সুখের চেয়েও সুখ, তুমি যে আমার,
প্রিয় থেকেও তুমি বেশি প্রিয়,
তুমি শুধু ভালবাসা দিও বন্ধু, 
তুমি শুধু ভালবাসা দিও।

এ জীবন তোমাকে দিলাম বন্ধু,
তুমি শুধু ভালবাসা দিও বন্ধু, 
তুমি শুধু ভালবাসা দিও।

চোখ ভরে দেখেছি, অন্তরে রেখেছি,
আরো চাওয়া আরো পাওয়া, রয়েছে বাকি।
তোমাকেই চেয়েছি, তোমাকেই পেয়েছি,
মরণ হলেও যেন, তোমারি থাকি।
সুখের চেয়েও সুখ, তুমি যে আমার,
প্রিয় থেকে ও তুমি বেশি প্রিয়,
তুমি শুধু ভালবাসা দিও বন্ধু, 
তুমি শুধু ভালবাসা দিও। 

এ জীবন তোমাকে দিলাম বন্ধু,
তুমি শুধু ভালবাসা দিও বন্ধু, 
তুমি শুধু ভালবাসা দিও।

জান বলে জেনেছি, প্রাণ বলে মেনেছি,
মন বলে তুমি যে, তার চেয়ে দামী।
তুমি ধরা দিয়েছ, কাছে টেনে নিয়েছ,
নতুন জীবন যেন, পেয়েছি আমি।
সুখের চেয়েও সুখ, তুমি যে আমার,
প্রিয় থেকে ও তুমি বেশি প্রিয়,
তুমি শুধু ভালবাসা দিও বন্ধু, 
তুমি শুধু ভালবাসা দিও। 
এ জীবন তোমাকে দিলাম বন্ধু,
তুমি শুধু ভালবাসা দিও বন্ধু, 
তুমি শুধু ভালবাসা দিও।
সুখের চেয়েও সুখ, তুমি যে আমার,
প্রিয় থেকে ও তুমি বেশি প্রিয়,
তুমি শুধু ভালবাসা দিও বন্ধু, 
তুমি শুধু ভালবাসা দিও। 
এ জীবন তোমাকে দিলাম বন্ধু,
তুমি শুধু ভালবাসা দিও বন্ধু, 
তুমি শুধু ভালবাসা দিও।
গানঃ এমন যদি হতো
ব্যান্ডঃ জলের গান
কথা ও সুরঃ রাহুল আকন্দ

এমন যদি হতো
আমি পাখির মত
উড়ে উড়ে বেড়াই সারাক্ষণ
এমন যদি হতো
আমি পাখির মত
উড়ে উড়ে বেড়াই সারাক্ষণ
পালাই বহুদূরে
ক্লান্ত ভবঘুরে
ফিরবো ঘরে কোথায় এমন ঘর
বৃক্ষ তলে শুয়ে তোমার দুঃখ ছুঁয়ে
বৃক্ষ তলে শুয়ে তোমার দুঃখ ছুঁয়ে
ঘুম আসেনা ঘুমও স্বার্থপর
এমন যদি হতো
আমি পাখির মত
উড়ে উড়ে বেড়াই সারাক্ষণ
এমন যদি হতো
আমি পাখির মত
উড়ে উড়ে বেড়াই সারাক্ষণ

হঠাৎ ফিরে দেখি
নিজের মুখোমুখি
শূন্য ভীষণ শূন্য মনে হয়
কী আর এমন হবে
কে পেয়েছে কবে
কী আর এমন হবে
কে পেয়েছে কবে
স্বপ্নগুলো স্বপ্ন হয়েই রয়
এমন যদি হতো
আমি পাখির মত
উড়ে উড়ে বেড়াই সারাক্ষণ
এমন যদি হতো
আমি পাখির মত
উড়ে উড়ে বেড়াই সারাক্ষণ

হতাম যদি রঙ্গিন প্রজাপতি
ফুলে ফুলে মাতামাতি
হতাম যদি রঙ্গিন প্রজাপতি
ফুলে ফুলে মাতামাতি
দিনের আলো কাটে উড়ে উড়ে
তোমার আমার গানের সুরে
বৃক্ষ তলে শুয়ে তোমার দুঃখ ছুঁয়ে
বৃক্ষ তলে শুয়ে তোমার দুঃখ ছুঁয়ে
ঘুম আসেনা ঘুমও স্বার্থপর
এমন যদি হতো
আমি পাখির মত
উড়ে উড়ে বেড়াই সারাক্ষণ
এমন যদি হতো
আমি পাখির মত
উড়ে উড়ে বেড়াই সারাক্ষণ 
গানঃ এই অবেলায় 
ব্যান্ডঃ শিরোনামহীন 
কথাঃ জিয়াউর রহমান 
সুরঃ কাজী শাফিন আহমেদ 


এই অবেলায়, তোমারি আকাশে, নিরব আপোষে

ভেসে যায়

সেই ভীষন শীতল ভেজা চোখ 

কখনো দেখাইনি তোমায়

কেউ কোথাও ভালো নেই যেন সেই, 

কতকাল আর হাতে হাত অবেলায়?

কতকাল আর ভুল অবসন্ন বিকেলে

ভেজা চোখ দেখাইনি তোমায়

সেই কবেকার ভায়োলিন, বেজে যায় কতদিন

প্রানে চাপা ঢেউ, দেখেনি আর কেউ।।

কখনো অভিমান, অবাধ্য পিছুটান 

জানিনা কি কষ্টে এই অবেলায় 

তবুও নির্বাসন বাসর সাজিয়ে, 

ঠোঁটে চেপে ধরা থাক ভালোবাসায়।


ঘুনে খাওয়া মেঘে কালো হয়ে যায় হৃদয় যখন 

একা একা শুধু অকারণেই ঝরে বৃষ্টি এমন

আজও তাই, অবাক রঙে এঁকে যাই

সাদাকালো রঙ মাখা ফানুসের মুহুর্ত রাঙাই

ভীষণ কালো মেঘ, পুড়ে ছাই আবেগে আজও তাই

অবাক জোছনায় পোড়া চোখ তবুও সাজাই।


এই সন্ধ্যায়, দুচোখ সাগরে, বুকের পাঁজড়ে

ভেসে যায়

অবাক জোছনায় লুকিয়ে রেখেছি

ভেজা চোখ দেখাইনি তোমায়।। 

এক শহর ভালবাসা

তোমার এলোমেলো চুলে
আমার সাদা মনে
হারিয়ে যেতে চাই
কোন হুড তোলা রিকশায়
এক মুঠো প্রেম এড়িয়ে।
আমার শূন্য পকেটে
হারাতে দ্বিধা নাই
অচেনা গলিতে
এক শহর ভালবাসা দিতে চাই।

এই নরম বিকেলে
মুখোমুখি দাড়িয়ে
শুধু বলতে ভয়
ভালোবাসাতে চাই
দ্বিধার আদরে।
আমি খুব সাধারন
সাদামাটা একজন
মরতে পারি
বাঁচতে শিখি
তা দ্বিধা ছাড়াই।

তোমার সাথে
এই পথটি যেন আজ শেষ না হয়
এমন করে
তোমার নরম হাতের ঐ ছোঁয়ায়
ইচ্ছে করে
জমা চায়ের কাপে বৃষ্টি নামুক
হোক সন্ধ্যা রাত
তবু এই সময় থেমে থাকুক
বুলিয়ে দাও রাঙিয়ে
ঐ মায়া যাদু হাতে
কি সুখ লাগে
এক শহর ভালবাসা দিতে চাই।

এই নরম বিকেলে
মুখোমুখি দাড়িয়ে
শুধু বলতে ভয়
ভালোবাসাতে চাই
দ্বিধার আদরে।
আমি খুব সাধারন
সাদামাটা একজন
মরতে পারি
বাঁচতে শিখি
তা দ্বিধা ছাড়াই।

তোমার এলোমেলো চুলে
আমার সাদা মনে
হারিয়ে যেতে চাই
কোন হুড তোলা রিকশায়।
এক মুঠো প্রেম এড়িয়ে
আমার শূন্য পকেটে
হারাতে দ্বিধা নাই
অচেনা গলিতে
এক শহর ভালবাসা দিতে চাই।

এই নরম বিকেলে
মুখোমুখি দাড়িয়ে
শুধু বলতে ভয়
ভালোবাসাতে চাই
দ্বিধার আদরে।
আমি খুব সাধারন
সাদামাটা একজন
মরতে পারি
বাঁচতে শিখি
তা দ্বিধা ছাড়াই।

এই নরম বিকেলে
মুখোমুখি দাড়িয়ে
শুধু বলতে ভয়
ভালোবাসাতে চাই
দ্বিধার আদরে।
আমি খুব সাধারন
সাদামাটা একজন
মরতে পারি
বাঁচতে শিখি
তা দ্বিধা ছাড়াই।।

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে
বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না।
আমরা তোমাদের ভুলব না।

দুঃসহ এ বেদনার কণ্টক পথ বেয়ে
শোষণের নাগপাশ ছিঁড়লে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না।
আমরা তোমাদের ভুলব না।

যুগের নিষ্ঠুর বন্ধন হতে
মুক্তির এ বারতা আনলে যারা
যুগের নিষ্ঠুর বন্ধন হতে
মুক্তির এ বারতা আনলে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না।
ভুলব না... ভুলব না...

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে
বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না।
আমরা তোমাদের ভুলব না।

কৃষাণ-কৃষাণীর গানে গানে
কৃষাণ-কৃষাণীর গানে গানে
পদ্মা-মেঘনার কলতানে
বাউলের একতারাতে
বাউলের একতারাতে
আনন্দ ঝংকারে
আনন্দ ঝংকারে
তোমাদের নাম ঝংকৃত হবে।
ঝংকৃত হবে... ঝংকৃত হবে... ঝংকৃত হবে....

নতুন স্বদেশ গড়ার পথে
তোমরা চিরদিন দিশারী রবে।
নতুন স্বদেশ গড়ার পথে
তোমরা চিরদিন দিশারী রবে।
আমরা তোমাদের ভুলব না।।
ভুলব না....ভুলব না....ভুলব না...

এক সাগর রক্তের বিনিময়ে
বাংলার স্বাধীনতা আনলে যারা
আমরা তোমাদের ভুলব না।
আমরা তোমাদের ভুলব না।
এক নদী যমুনা

আমি আর আমার দু’চোখ কখনো জলে ভেজাবো না
এ ব্যথা আমারই থাক, চাই না কারও সান্ত্বনা

পৃথিবী ভালবাসে না, ভালবাসতেও সে জানে না।
পৃথিবী ভালবাসে না, ভালবাসতেও সে জানে না।

কান্নায় লাভ নেই, কান্নায় হবে না কোনদিন পদ্মা-মেঘনা
দিনের আলোয় শুকিয়ে যাবে সে
হবে না তো এক নদী যমুনা।

কান্নায় লাভ নেই, কান্নায় হবে না কোনদিন পদ্মা-মেঘনা
দিনের আলোয় শুকিয়ে যাবে সে
হবে না তো এক নদী যমুনা।

টেনে নিয়ে বুকের কাছে,
ছুঁড়ে দেয় ধূলোর মাঝে।
টেনে নিয়ে বুকের কাছে,
ছুঁড়ে দেয় ধূলোর মাঝে।
ভালবাসার নিয়ম মানি না
তাইতো অশ্রু এখন আসে না
দিও না, দিও না, সান্ত্বনা

কান্নায় লাভ নেই, কান্নায় হবে না কোনদিন পদ্মা-মেঘনা
দিনের আলোয় শুকিয়ে যাবে সে
হবে না তো এক নদী যমুনা।
কান্নায় লাভ নেই, কান্নায় হবে না কোনদিন পদ্মা-মেঘনা
দিনের আলোয় শুকিয়ে যাবে সে
হবে না তো এক নদী যমুনা।

ডুবেছিল মায়াজালে হৃদয়
সেই ক্ষত এখনো কথা কয়।
ডুবেছিল মায়াজালে হৃদয়
সেই ক্ষত এখনো কথা কয়।

ভালবাসার নিয়ম মানি না
তাইতো অশ্রু এখন আসে না
দিও না, দিও না, সান্ত্বনা

কান্নায় লাভ নেই, কান্নায় হবে না কোনদিন পদ্মা-মেঘনা
দিনের আলোয় শুকিয়ে যাবে সে
হবে না তো এক নদী যমুনা।
কান্নায় লাভ নেই, কান্নায় হবে না কোনদিন পদ্মা-মেঘনা
দিনের আলোয় শুকিয়ে যাবে সে
হবে না তো এক নদী যমুনা।
এমন একটা তুমি চাই

আমি এমন একটা তুমি চাই,
এমন একটা তুমি চাই।
যে তুমিতে আমি ছাড়া অন্য কেউ নাই।
আমি এমন একটা তুমি চাই,
এমন একটা তুমি চাই।
যে তুমিতে আমি ছাড়া অন্য কেউ নাই।
তুমি একবার বলো যদি,
আমি পাড়ি দেবো খরস্রোতা নদী।
তুমি একবার বলো যদি,
আমি পাড়ি দেবো খরস্রোতা নদী।
ভালোবাসা দেবো পুরোটা......

আমি এমন একটা তুমি চাই,
এমন একটা তুমি চাই।
যে তুমিতে আমি ছাড়া অন্য কেউ নাই।

আমি কত ছলে কৌশলে তোমায় ভালোবেসে যাই,
এতো করে চাই আমি বলো আর কিভাবে বোঝাই।

আমি কত ছলে কৌশলে তোমায় ভালোবেসে যাই,
এতো করে চাই আমি বলো আর কিভাবে বোঝাই।
তুমি একবার বলো যদি,
আমি পাড়ি দেবো খরস্রোতা নদী।
তুমি একবার বলো যদি, 
আমি পাড়ি দেবো খরস্রোতা নদী।
ভালোবাসা দেবো পুরোটা......

আমি এমন একটা তুমি চাই,
এমন একটা তুমি চাই।
যে তুমিতে আমি ছাড়া অন্য কেউ নাই....

তুমি থাকো দূরে আড়ালে বোঝ না কেন যে আমায়,
কতশত বাহানা একটু পাওয়ার আশায়। 

তুমি থাকো দূরে আড়ালে বোঝ না কেন যে আমায়,
কতশত বাহানা একটু পাওয়ার আশায়। 
তুমি একবার বলো যদি,
আমি পাড়ি দেবো খরস্রোতা নদী।
তুমি একবার বলো যদি, 
আমি পাড়ি দেবো খরস্রোতা নদী।
ভালোবাসা দেবো পুরোটা......
********************
আমি এমন একটা তুমি চাই,
এমন একটা তুমি চাই।
যে তুমিতে আমি ছাড়া অন্য কেউ নাই।
এসো হে বৈশাখ

এসো হে বৈশাখ, এসো এসো। 
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো। 
তাপস নিঃশ্বাস বায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, 
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক যাক যাক। 
এসো এসো...
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো 
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো 

যাক পুরাতন স্মৃতি
যাক ভুলে যাওয়া গীতি
যাক অশ্রুবাষ্প সুদূরে মিলাক
যাক যাক
এসো এসো...
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো 

মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা, 
অগ্নি স্নানে শুচি হোক ধরা। 
মুছে যাক গ্লানি ঘুচে যাক জরা, 
অগ্নি স্নানে শুচি হোক ধরা। 
রসের আবেশ রাশি, শুষ্ক করি দাও আসি।  
আনো আনো, আনো তব প্রলয়ের শাঁখ। 
আনো আনো, আনো তব প্রলয়ের শাঁখ। 
মায়ার কুঁজঝটি জাল যাক দূরে, যাক যাক যাক। 
এসো এসো...

এসো হে বৈশাখ, এসো এসো 
তাপস নিঃশ্বাস বায়ে মুমূর্ষুরে দাও উড়ায়ে, 
বৎসরের আবর্জনা দূর হয়ে যাক যাক যাক। 
এসো এসো...
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো 

এসো হে বৈশাখ(রমনার বটমূলে কথা হবে প্রান খুলে)
“এসো হে বৈশাখ, এসো এসো
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো
এসো হে বৈশাখ, এসো এসো।”
রমনার বটমূলে কথা হবে প্রান খুলে,  
জানিয়ে দিলাম আমি তোমাকে। 
এসো বাঙ্গালীর সাজে হাতে যেনো চুড়ি বাজে, 
খোঁপায় যেনো বেলি ফুল থাকে। 
দেখা হবে রে হবে, দেখা হবে রে হবে 
দেখা হবেই হবে পহেলা বৈশাখে। 
দেখা হবে রে হবে, দেখা হবে রে হবে 
দেখা হবেই হবে পহেলা বৈশাখে। 

রমনার বটমূলে কথা হবে প্রান খুলে 
জানিয়ে দিলাম আমি তোমাকে। 
এসো বাঙ্গালীর সাজে হাতে যেনো চুড়ি বাজে 
খোঁপায় যেনো বেলি ফুল থাকে। 
দেখা হবে রে হবে, দেখা হবে রে হবে 
দেখা হবেই হবে পহেলা বৈশাখে। 
দেখা হবে রে হবে, দেখা হবে রে হবে 
দেখা হবেই হবে পহেলা বৈশাখে। 

বাঁশি আর ঢোলে মুখরিত চারিদিক, 
হাজার লোকের ভিড়ে খুঁজে নেবো ঠিক। 
বাঁশি আর ঢোলে মুখরিত চারিদিক, 
হাজার লোকের ভিড়ে খুঁজে নেবো ঠিক। 
তোমার কাজল চোখে দেখবো অপলকে 
পাগল করেছে কে এই আমাকে। 
দেখা হবে রে হবে, দেখা হবে রে হবে 
দেখা হবেই হবে পহেলা বৈশাখে। 
দেখা হবে রে হবে, দেখা হবে রে হবে 
দেখা হবেই হবে পহেলা বৈশাখে। 

প্রথম সকাল থেকে একটা দুপুর, 
বাজবে দু’টি মনে সুখের নূপুর। 
প্রথম সকাল থেকে একটা দুপুর, 
বাজবে দু’টি মনে সুখের নূপুর। 
ছায়ানটের গানে খুঁজবো প্রেমের মানে 
সাজিয়ে দু’জনার স্বপ্নটাকে। 

দেখা হবে রে হবে, দেখা হবে রে হবে 
দেখা হবেই হবে পহেলা বৈশাখে। 
দেখা হবে রে হবে, দেখা হবে রে হবে 
দেখা হবেই হবে পহেলা বৈশাখে। 

রমনার বটমূলে কথা হবে প্রান খুলে,  
জানিয়ে দিলাম আমি তোমাকে। 
এসো বাঙ্গালীর সাজে হাতে যেনো চুড়ি বাজে, 
খোঁপায় যেনো বেলি ফুল থাকে। 
দেখা হবে রে হবে, দেখা হবে রে হবে 
দেখা হবেই হবে পহেলা বৈশাখে। 
দেখা হবে রে হবে, দেখা হবে রে হবে 
দেখা হবেই হবে পহেলা বৈশাখে। 

দেখা হবে রে হবে, দেখা হবে রে হবে 
দেখা হবেই হবে পহেলা বৈশাখে।